মো. নূর নবী শেখ
প্রজননে অক্ষম পুরুষ মশা বন্য পুরুষ মশার সঙ্গে স্ত্রী মশার মিলনে প্রতিযোগিতা করবে। এসব পুরুষ মশার সঙ্গে স্ত্রী মশার মিলন হলেও কোনো বংশধর জন্মাবে না। ফলে ধীরে ধীরে ওই এলাকায় মশার সংখ্যা কমে আসবে।
প্রকল্পের নেতা ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক চিকিৎসক আফনসো মোরেইরা বলেন, প্রথম ধাপে ছাড়া মশাগুলো কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং কতদিন টিকে থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
পরীক্ষার ফল ইতিবাচক হলে আগামী মে মাসে মশা ছাড়া হয়েছে এমন এলাকা এবং নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করা হবে।
পর্তুগালে এরই মধ্যে মোট ৬০ হাজার মশা ছাড়া হয়েছে। এবারের উদ্যোগটিই এ ধরনের মশা ছাড়ার শেষ ধাপ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে শুধু প্রজননে অক্ষম মশা ছাড়লেই মশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে না। মশার বংশবিস্তারের স্থান, বিশেষ করে জমে থাকা পানি ও অন্যান্য প্রজননস্থল ধ্বংস করাও জরুরি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তথ্যসূত্র: ইউরোনিউজ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
ই-মেইল: kolom24news@gmail.com