৬ অক্টোবর ২০২৬
preview
এলপিজির দাম বাড়িয়ে সরকার দুর্বৃত্তদের পক্ষ নিয়েছে : ইসলামী আন্দোলন

মো. নূর নবী শেখ

কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি করে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে অভিযোগ করে সরকার বাজার কারসাজিকারীদের পক্ষ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, বাজারে কোনো প্রকৃত সংকট না থাকলেও কারসাজি করে সংকট তৈরি করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কারসাজি রোধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের চাহিদামতো দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি করে গতকাল সন্ধ্যা থেকে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। গত মাসে একই পরিমাণ এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

তিনি বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে দাম ১০৩ টাকা বাড়ানো হয়। যুদ্ধ শুরুর পর এপ্রিলে দুই দফায় ৫৯৯ টাকা দাম বাড়ানো হয়। জুন ও জুলাইয়ে প্রায় ৪০০ টাকা কমানো হলেও আগস্টে আবার ৭০ টাকা বাড়ানো হয়। সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা কমানোর পর এবার এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের দাবি, এলপিজি সরবরাহের তথ্য বিশ্লেষণ করলে গ্যাসের প্রকৃত কোনো সংকট ছিল না। কারসাজির মাধ্যমে সংকট তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার বাজার কারসাজি রোধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে কারসাজিকারীদের কথামতো দাম বাড়িয়ে দুর্বৃত্তদের পক্ষ নিয়েছে। দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার করেন। ফলে এ মূল্যবৃদ্ধি কোটি মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুতর প্রভাব ফেলবে।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকারকে বাজার কারসাজিকারীদের প্রতিহত করতে হবে। দুর্বৃত্তদের চাহিদামতো দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্ট দেওয়া যাবে না।

তিনি অবিলম্বে এলপিজির বাড়ানো দাম কমানোর দাবি জানান। একই সঙ্গে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা।


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

ই-মেইল: kolom24news@gmail.com