home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


বেসরকারি শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই-স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

মো. নূর নবী শেখ
ডেস্ক রিপোর্টকলম২৪.কম

আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:১৮

Facebook
Twitter

বেসরকারি শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই-স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলে আগে দেওয়া নিজের বক্তব্য থেকে সড়ে এসেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, যতদিন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হচ্ছে, ততদিন শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আইনি বা নীতিগত কোনো বাধা নেই।

রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ( ৮ অক্টোবর) শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ভিন্ন অবস্থানের কথা বলেছিলেন প্রতিমন্ত্রী। সেদিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেছিলেন, স্থানীয় সরকার আইনে প্রজাতন্ত্রের বা পরিষদের বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কাজে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল ও কলেজ জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা ২০২৫-এর বিধি ১১.১৭-এর ‘ক’ ও ‘খ’-তে শিক্ষকদের পদকে লাভজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় সরকার আইনের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও নীতিমালার বিষয়টি মিলে যাচ্ছে।

এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক একইসঙ্গে একাধিক পদ বা চাকরিতে কিংবা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না মত দিয়ে সেদিন মীর শাহে আলমের ভাষ্য ছিল, এমপিও নীতিমালার বিধি ১১.১৭-এর ‘খ’-তে আর্থিক লাভজনক পদের সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে সরকারের দেওয়া বেতন-ভাতা ও সম্মানির পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, আইন পেশাসহ কর্মের বিনিময়ে পাওয়া বেতন-ভাতা ও সম্মানিকে এর আওতায় রাখা হয়েছে।

নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয়টিও নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। স্থানীয় সরকার আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও নীতিমালা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন কি না।

তবে বৃহস্পতিবার আগের বক্তব্যের বিরোধিতা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধা নেই। শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই। দেশের ইতিহাসে যতবার শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং মান-মর্যাদা বৃদ্ধি হয়েছে, তা হয়েছে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন হতে পারে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের জন্য বছরে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা প্রয়োজন তথ্য দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, শিক্ষকরা সুশৃঙ্খল ও বড় পরিসরের জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করে মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার্তা পৌঁছালে বর্তমান সরকার অবশ্যই তাদের দাবির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে।

এ সময় তিনি শিক্ষকদের কল্যানে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।